জিয়া-এরশাদ আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন’

জিয়া-এরশাদ আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন’

জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘তাদের দোসররা আজ ঝকঝকা পোশাক পরে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করেছে। এসব অনুপ্রবেশকারীদের ঝেঁটিয়ে বের করে দিন।’ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নানক বলেন, ‘সড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালান আর লোকজন বিদ্রূপ করে বলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের অমুক নেতা গেল। সাবধান হন। মুরুব্বিদের শ্রদ্ধা করুন। সন্মান করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছেন। বছরের শুরুতেই বিনামূল্যে বই দিয়েছেন যা কল্পনাও করতে পারেনি বিএনপি। শেখ হাসিনা অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। আমার বাড়ি আমার খামার করায় আজ আর ভারত থেকে গরু আনতে হয় না। শেখ হাসিনার উন্নয়নে আজ মঙ্গা শব্দটি দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১, দগ্ধ ২৮

এদিন দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম মাঠে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপির সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বপন ও যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাদলা আশরাফ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ইত্তেফাক/এএএম

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ও আলোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন। ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর প্রাঙ্গণে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, মিনুর বক্তব্য যদি বিএনপি দলীয় বক্তব্য হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক কিছু বলার আছে, অনেক কিছু করার আছে। সরকারকে অনুরোধ করব তাকে আইনের আওতায় এনে এ বক্তব্যের উৎস কি তা খতিয়ে দেখা হোক।

কৃষক লীগ সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হলো। শুধু নিষিদ্ধই নয়, আমরা যারা মুজিব প্রেমিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করেছি আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু গ্রেফতারেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা বাজার থাকা ৭ মার্চ ভাষণের সব কিছু মুছে দিতে চেয়েছিল। আজ তারাই ৭ মার্চের ভাষণ পালন করছে। তাদের এসবই দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের অংশ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলার মানুষ সরকার পতনের তর্জন-গর্জন জনগণ আর বিশ্বাস করে না। জনগণ বিএনপির ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণ দেশের স্থিতিশীল, শান্তি-শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। বিএনপির আন্দোলনের নামে অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার জনগণ। তবুও দেশ-বিদেশের যে ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তার জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ :