জেদ্দা কনসাল জেনারেল এফএম বোরহানউদ্দিন কে বিদায় সংবর্ধনা।

জেদ্দা কনসাল জেনারেল এফএম বোরহানউদ্দিন কে বিদায় সংবর্ধনা।

রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অফ ইলেকট্রনিক মিডিয়া সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল জেদ্দা এর উদ্যোগে।মান্যবর কনসাল জেনারেল এফএম বোরহানউদ্দিন কে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়, উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন চ্যানেল আই সৌদি আরব প্রতিনিধি ও সংগঠনের সভাপতিএম ওয়াই আলাউদ্দিন, বিদায়ী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ী কনসাল জেনারেল এফএম বোরহানউদ্দিন। উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর লেবার মোঃ আমিনুল ইসলাম কাউন্সিলর মুজিবুর রহমান কনসাল ভিসা ও পাসপোর্ট কামরুজ্জামান প্রথম সচিব কামরুজ্জামান ভূঁইয়া কার্যালয় প্রধান মোস্তফা জামিল খান সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি ফজলুল করিম প্রথম সচিব কাজী সালাউদ্দিন সহ কনস্যুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরটিভির জেদ্দা প্রতিনিধি হানিছ সরকার উজ্জলের সঞ্চালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা রুমী সাঈদ, সিনিয়র সহ সভাপতি বাংলাভিশন জেদ্দা প্রতিনিধি সোহেল রানা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এনটিভি জেদ্দা প্রতিনিধি মাসুদ সেলিম, সহ-সভাপতি এটিএন বাংলা মক্কা প্রতিনিধি সাজেদুল ইসলাম সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি বাহাউদ্দিন বকুল, উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলা টিভির জেদ্দা প্রতিনিধি সাইফুল রাজিব বক্তব্য রাখেন রঞ্জু আহমেদ চ্যানেল 24সৈয়দ আহমেদ মাই টিভির জেদদা প্রতিনিধি মোবারক হোসেন ভূঁইয়া সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি আলমামুন শিপন, আরো উপস্থিত ছিলেন এনটিভি মক্কা প্রতিনিধি কামাল পারভেজ অভি কাউসার আব্দুস সালাম ইকবাল হোসেন প্রধান জয়যাত্রা জেদ্দা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নূর আলম, বিদায়ী অতিথি তার বক্তব্যে বলেন এই মিডিয়াদের প্রচারণার জন্য আজ বাংলাদেশ কনস্যুলেট বহির্বিশ্বের মধ্যে নাম্বার ওয়ান পর্যায়ে আছেন, গণশুনানি এবং ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য গুলো প্রচারণারই ফসল, সবশেষে বিদায়ী অতিথিকে ক্রেস্ট প্রদান করেন সংগঠনের পক্ষ থেকে।গভীর বিসিএস জেদ্দা কনস্যুলেট প্রথম স্থান অধিকার করায় কনস্যুলেটের কর্মকর্তার পাশাপাশি মিডিয়া ব্যক্তিদেরকে ধন্যবাদ জানান

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ও আলোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন। ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর প্রাঙ্গণে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, মিনুর বক্তব্য যদি বিএনপি দলীয় বক্তব্য হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক কিছু বলার আছে, অনেক কিছু করার আছে। সরকারকে অনুরোধ করব তাকে আইনের আওতায় এনে এ বক্তব্যের উৎস কি তা খতিয়ে দেখা হোক।

কৃষক লীগ সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হলো। শুধু নিষিদ্ধই নয়, আমরা যারা মুজিব প্রেমিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করেছি আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু গ্রেফতারেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা বাজার থাকা ৭ মার্চ ভাষণের সব কিছু মুছে দিতে চেয়েছিল। আজ তারাই ৭ মার্চের ভাষণ পালন করছে। তাদের এসবই দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের অংশ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলার মানুষ সরকার পতনের তর্জন-গর্জন জনগণ আর বিশ্বাস করে না। জনগণ বিএনপির ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণ দেশের স্থিতিশীল, শান্তি-শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। বিএনপির আন্দোলনের নামে অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার জনগণ। তবুও দেশ-বিদেশের যে ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তার জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ :