উজিরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা( অবঃ ) পুলিশ সদস্যদের সন্মাননা প্রদান ।

উজিরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা( অবঃ ) পুলিশ সদস্যদের সন্মাননা প্রদান ।

উজিরপুর প্রতিনিধি : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে।। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্ম্নরনে ও তাদের প্রতি সন্মান প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ওই সন্মাননা প্রদান করা হয়। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় উজিরপুর মডেল থানায় সন্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান জানান জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে রনাঙ্গানে জিবন বাজি রেখে দেশকে শত্রু মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও সন্মরনে জেলা পুলিশের উদ্যেগে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এবং তাদের পরিবারকে সন্মাননা প্রদানের অংশ হিসেবে উজিরপুর উপজেলার ১২ জন মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের কাছে উপহার হস্তান্তর করা হয়েছে ।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ও আলোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন। ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর প্রাঙ্গণে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, মিনুর বক্তব্য যদি বিএনপি দলীয় বক্তব্য হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক কিছু বলার আছে, অনেক কিছু করার আছে। সরকারকে অনুরোধ করব তাকে আইনের আওতায় এনে এ বক্তব্যের উৎস কি তা খতিয়ে দেখা হোক।

কৃষক লীগ সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হলো। শুধু নিষিদ্ধই নয়, আমরা যারা মুজিব প্রেমিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করেছি আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু গ্রেফতারেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা বাজার থাকা ৭ মার্চ ভাষণের সব কিছু মুছে দিতে চেয়েছিল। আজ তারাই ৭ মার্চের ভাষণ পালন করছে। তাদের এসবই দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের অংশ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলার মানুষ সরকার পতনের তর্জন-গর্জন জনগণ আর বিশ্বাস করে না। জনগণ বিএনপির ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণ দেশের স্থিতিশীল, শান্তি-শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। বিএনপির আন্দোলনের নামে অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার জনগণ। তবুও দেশ-বিদেশের যে ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তার জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ :