প্রশ্ন করে বিএনপি আবারও রাজাকারের পক্ষ নিল: হাছান মাহমুদ

প্রশ্ন করে বিএনপি আবারও রাজাকারের পক্ষ নিল: হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘রাজাকারের তালিকা কেন’— এ প্রশ্ন করে বিএনপি আবারও রাজাকারের পক্ষ নিয়েছে এবং নিজেদের মুখোশই উন্মোচন করেছে।

‘স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর রাজাকারের তালিকা কেন’ বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ মন্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রচার উপকমিটির সভার আগে তথ্যমন্ত্রীকে এই প্রশ্ন করা হয়।
|
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মীর্জা ফখরুল সাহেব তাঁর এ বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে রাজাকারদেরই পক্ষ নিয়েছেন। আমরা এত দিন ধরে বলে আসছি, বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং তাদের দলের চেয়ারপারসন পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন। তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশে পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। আজ রাজাকারের তালিকা প্রকাশের পর মীর্জা ফখরুল সাহেব কেন তালিকা প্রকাশ হলো— এ প্রশ্ন রেখে রাজাকারদের পক্ষ অবলম্বন করে নিজেদের মুখোশই উন্মোচন করেছেন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজাকারের তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, রাজাকারদের যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে, তারা বিএনপি ও তাদের সহযোগী এবং সে জন্যই এ তালিকা প্রকাশে তাদের এত গাত্রদাহ’।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ও আলোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন। ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর প্রাঙ্গণে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, মিনুর বক্তব্য যদি বিএনপি দলীয় বক্তব্য হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক কিছু বলার আছে, অনেক কিছু করার আছে। সরকারকে অনুরোধ করব তাকে আইনের আওতায় এনে এ বক্তব্যের উৎস কি তা খতিয়ে দেখা হোক।

কৃষক লীগ সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হলো। শুধু নিষিদ্ধই নয়, আমরা যারা মুজিব প্রেমিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করেছি আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু গ্রেফতারেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা বাজার থাকা ৭ মার্চ ভাষণের সব কিছু মুছে দিতে চেয়েছিল। আজ তারাই ৭ মার্চের ভাষণ পালন করছে। তাদের এসবই দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের অংশ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলার মানুষ সরকার পতনের তর্জন-গর্জন জনগণ আর বিশ্বাস করে না। জনগণ বিএনপির ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণ দেশের স্থিতিশীল, শান্তি-শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। বিএনপির আন্দোলনের নামে অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার জনগণ। তবুও দেশ-বিদেশের যে ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তার জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ :