মোঃ  আবদুল  বারীঃ-  আজ  একটু  ভিন্ন ধরনের  লেখা  লিখতে  চাচ্ছি,  জানি  না লেখা  টা  কেউ  পড়বে  কিনা  বা  পড়লেও ভালো  লাগবে  কিনা।  তারপর  ও  লিখতে ইচ্ছে  করছে।  বর্তমানে  মানুষের  মধ্যে  এক আতংক,  যার  নাম  আমরা  সবাই  জানি  তা হলো  করোনা।  যার  কারনে  সর্ব  স্তরের মানুষের  মধ্যে  স্বাভাবিক  জীবন  যাপনে ব্যাঘাত  ঘটছে।  প্রত্যেক  শ্রেনীর  মানুষদের কোনো  না  কোনো  সমস্যা  আছেই।  বর্তমান সরকার  করোনা  মোকাবিলায়  বিভিন্ন  সময় বিভিন্ন  পদক্ষেপ  নিয়েছেন।  কিন্তু  ভাবতে অবাক  লাগে  আমরা  জনগন  যেটা  পালন করতে  পারি  তাও  আমরা  সবাই  পালন ঠিক  ভাবে  করি  না।  যাই  হোক  আমার মূল  উদ্দেশ্য  এটা  না,,  আমি  যে বিষয়টা  বলতে  চাই,,  আমাদের  এই  বরিশাল  শহরে রাস্তায়  বের  হলে  বিভিন্ন  সময়  বিভিন্ন স্থানে  বিভিন্ন  ধরনের  বদ্ধ  উম্মত  বা  বিবস্ত্র মানসিক  রোগী  বা  যাকে  আমরা  পাগল বলি,,  দেখতে  পাই।  যারা  আসলে  বলতে গেলে  একেবারেই  অবহেলা,  অনাদরে জীবন  যাপন  করে।  তারা  না  পায়  ঠিক ভাবে  কোনো  খাবার,  পোশাক,  থাকার কোনো  স্হান।  অসুস্থ  হলেও  দেখার  মত কোনো  মানুষ  নাই।  এই  মহামারী  করোনায় আমরা  কত  সচেতনার  কথা  বলি,, অথচ তারা  দিব্যি  একি  ভাবে  আছে।  আমাদের সমাজে  আমরা  কত  কিছু  নিয়ে  কাজ করি।  রাস্তায়  যেসব  পাগল  আছে  তাদের জন্য  মানবিক  দিক  দিয়ে  কি  কিছুই  করার নেই  আমাদের।

অসহায় মানুষদের নিয়ে চিন্তা

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশ ও আলোচনা সভায়’ তিনি এ কথা বলেন। ধানমন্ডি-৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর প্রাঙ্গণে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, মিনুর বক্তব্য যদি বিএনপি দলীয় বক্তব্য হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অনেক কিছু বলার আছে, অনেক কিছু করার আছে। সরকারকে অনুরোধ করব তাকে আইনের আওতায় এনে এ বক্তব্যের উৎস কি তা খতিয়ে দেখা হোক।

কৃষক লীগ সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে নিষিদ্ধ করা হলো। শুধু নিষিদ্ধই নয়, আমরা যারা মুজিব প্রেমিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর চেষ্টা করেছি আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু গ্রেফতারেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা বাজার থাকা ৭ মার্চ ভাষণের সব কিছু মুছে দিতে চেয়েছিল। আজ তারাই ৭ মার্চের ভাষণ পালন করছে। তাদের এসবই দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের অংশ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলার মানুষ সরকার পতনের তর্জন-গর্জন জনগণ আর বিশ্বাস করে না। জনগণ বিএনপির ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে। জনগণ দেশের স্থিতিশীল, শান্তি-শৃঙ্খলায় বিশ্বাসী। বিএনপির আন্দোলনের নামে অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার জনগণ। তবুও দেশ-বিদেশের যে ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তার জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

‘মিনুকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’

ব্রেকিং নিউজ :